খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন।

mmmmmmmmm.jpg

খবর বিজ্ঞপ্তি, ডেইলি সুন্দরবনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে সকাল ৭.৩০ টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৮.৩০ টায় খুলনা বেতার কেন্দ্রে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বিকাল ৫ টায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ। সভা পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী।

সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ তার বক্তব্যে বলেন “বিশ্ব মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণিত, বর্বর ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মধ্যে একটি ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা। তবে এটি শুধু হত্যাকাণ্ড ছিল না। একটি সদ্য স্বাধীন ও জাতির অগ্রযাত্রাকে চিরতরে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রও ছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী ও পরাজিত দেশি, বিদেশি শক্তি এবং ঘাতক চক্র সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-কে ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেলও সেদিন ঘাতকের হাত থেকে রেহাই পায়নি। সকল খুনিদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি করেন তিনি। তিনি সকল ভেদাভেদ ভুলে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।”

জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী বলেন “১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে সেনাবাহিনীর বিপথগামী একটি দল হানা দেয়। এ সময় তারা বঙ্গবন্ধুসহ বাড়িতে থাকা পরিবারের সবাইকে একে একে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় সেদিন তারা প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধের চার মূলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারীরা স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধকে পদদলিত করে উল্টো পথে সেই পাকিস্তানি ভাবধারার দিকে বাংলাদেশকে নিয়ে যায়। আবারও বাঙালির ঘাড়ে জেঁকে বসে সামরিক স্বৈরশাসন। তিনি আরও বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও খুনি চক্র বারবার হত্যা করার চেস্টা করেছে। সকল খুনি চক্র, ষড়যন্ত্রকারী ও হাইব্রিডদের বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার থাকার আহবান জানান।”

এ সকল কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোল্যা জালাল উদ্দিন, সহ সভাপতিবৃন্দ এ্যাড. সোহরাব আলী সানা, এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, এ্যাড. এম এম মুজিবর রহমান, এ্যাড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, আক্তারুজ্জামান বাবু এমপি, বিএমএ ছালাম, রফিকুর রহমান রিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ কামরুজ্জামান জামাল, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জোবায়ের আহম্মেদ খান জবা, দপ্তর সম্পাদক এমএ রিয়াজ কচি, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহ আলম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. রকিকুল ইসলাম লাবু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাজী শামীম আহসান, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ রাশেদুল ইসলাম রাসেল, শ্রম সম্পাদক মোজাফফর মোল্যা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান বাবলু, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েদুজ্জামান সম্রাট, জেলা সদস্যবৃন্দ অসিত বরণ বিশ্বাস, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, শিউলি সরোয়ার, শাহিনা আক্তার লিপি, ফারজানা নিশা, অমিয় অধিকারী, মোঃ জামিল খান, হোসনের আরা চম্পা, মানিকুজ্জামান অশোক, মোতালেব হোসেন, অধ্যঃ শ্যামল কুমার, সরদার জাকির, অজিত বিশ্বাস, শেখ মোঃ আবু হানিফ, জলিল তালুকদার, দেব দুলাল বাড়ই বাপ্পি, মো: পারভেজ হাওলাদার, মো: ইমরান হোসেন, হাসান রুমি, মাহফুজুর রহমান সোহাগ, বিধান চন্দ্র রায়, রেজাউল করিম রেজা, মো: মারুফ হোসাইন, মো: মিরাজুল ইসলাম, আমির মোমেন রানা, দিপ পান্ডে বিশ্ব, তানভীর রহমান আকাশ, মৃনাল কান্তি বাছাড়, ইয়াসির আরাফাত খান, আশিকুজ্জামান তানভীর, আতিকুর রহমান আতিক, চিশতী নাজমুল, বাধন হালদার, শেখ মো: রাসেল, মাসুদ হাসান লাবলু, খাইরুল বাসার, সাইফুল ইসলাম সাইফ, ইসমাইল মৃধা ইমন, জিএম হৃদ, আহলান হাবীব , মিলু আহমেদ প্রমূখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top