ভৈরব সেতুর জমি অধিগ্রহনের জটিলতা নিরসনের পথে।

241228591_1672183609658305_2551032064074769228_n.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক, ডেইলি সুন্দরবনঃ সরকারি জনগুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের স্বার্থে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করাসহ প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের কর্মের ধারাবাহিকতায় ৫ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বেলা ১২ টায় রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চলের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও রেলওয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ নূরুজ্জামান মহসিন মোড় থেকে রেলিগেট পর্যন্ত ভৈরব ব্রিজ তৈরীর নিমিত্তে রেলওয়ের জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত ভূমি পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এর নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ আনিসুজ্জামান মাসুদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এম এ রিযাজ কচি ও মোঃ হাফিজুর রহমান, ভৈরব সেতুর পিএম প্রকৌশলী জনাব অসীত কুমার অধিকারী, ডিজিএম জনাব মোঃ কওছার হোসেন, সড়ক বিভাগ-২ (সওজ) এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জনাব মোঃ বেলায়েত হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনাব মোঃ রাশিদুর রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ে কাচারী -১৮ এর ফিল্ড কানুনগো জনাব মোঃ মনোয়ারুল ইসলাম, সার্ভেয়ার জনাব মোঃ আবুবকর সিদ্দীকি, সওজ এর সার্ভেয়ার জনাব মোঃ নাইমুর ইসলাম প্রমুখ।

ভৈরব সেতু নির্মাণের জন্য খুলনা সড়ক বিভাগের নগরীর মুহসীন মোড় থেকে রেলিগেট পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের ৭ দশমিক ১১৩৬ একর/ ২ দশমিক ৮৮ হেক্টর ভূমি প্রয়োজন।

সেতু বাস্তবায়নকারী সংস্থা খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুজ্জামান মাসুদ ভৈরব ব্রিজ নির্মাণের জন্য উল্লেখিত স্থানের অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত ভূমির দাগগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের রেকর্ডীয় মালিকানাধীন ভূমি হওয়ায় নতুন করে ইজারা/ নবায়ন না দেওয়াসহ ইতিপূর্বের সকল ইজারা বাতিল, ব্যক্তি মালিকানাধীন পাকা/সেমিপাকা স্থাপনা অপসারণ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত ভূমির দাগ সূচীর কপিসহ গত ১৮ মে ২০২১ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল জোনের ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করে চিঠি প্রদান করেন।

দিঘলিয়া (রেলিগেট)-আড়ুয়া-গাজীরহাট-তেরখাদা সড়কের (জেড-৭০৪০)খুলনা সড়কাংশে এক কিলোমিটার এ ভৈরব ব্রিজ নির্মাণের লক্ষে খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার অন্তর্গত ০৪ নং মহেশ্বরপাশা, ১৩ নং দেবনগর ও ১৪ নং দিঘলিয়া মৌজার সর্বমোট ১৭ দশমিক ৪৯ একর/৭ দশমিক০৮ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ০৪ নং মহেশ্বরপাশা মৌজার ৭ দশমিক ১১৩৬ একর/২.৮৮ হেক্টর ভূমি বাংলাদেশ রেলওয়ের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top